চট্টগ্রাম নগরী ও জেলায় পৃথক অভিযানে মজুদ করে রাখা সাড়ে তিন হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করেছে প্রশাসন।  নগরীর কর্ণফুলী বাজারে একটি দোকানে গোপন কুঠুরি বানিয়ে এক হাজার লিটারের বেশি তেল মজুদ করে রাখা হয়েছিল।অন্যদিকে ফটিকছড়ি উপজেলায় এক মুদি দোকানির বাড়ি থেকে প্রায় আড়াই হাজার লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছ।

রোববার (৮ মে) দুপুরে নগরীর ষোলশহরে কর্ণফুলী মার্কেটের ‘মেসার্স খাজা স্টোরে’ অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। সংস্থাটির উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বলেন, তেলগুলো দোকানের মেঝের নিচে বিশেষ কায়দায় করা একটি গুদামে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। অভিযানের সময় এগুলো বের করে আনা হয়।

তিনি আরো বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকটকে কাজে লাগিয়ে বেশি মুনাফা আদায়ের উদ্দেশ্যে তেলের বোতলগুলো ঈদের আগেই মজুদ করা হয়েছিল। পরে জব্দ করা তেলগুলো খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এছাড়া দোকানটিতে বেশকিছু মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য পাওয়ায় ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার রাতে ফটিকছড়ির হোঁয়াকো বাজারের মুদি দোকানি আকতার হোসেনের বাগানবাজারের বাড়িতে অভিযান চালান ফটিকছড়ির সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলমগীর। এসময় ওই বাড়ি থেকে ২ হাজার ৩২৮ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলমগীর বলেন, ‘বাজারে সংকটের মধ্যে আকতার হোসেন তেলগুলো বাড়িতে নিয়ে মজুদ করেছিল। অনেকটা গোপন একটি কক্ষে এমনভাবে রাখা হয়েছিল, যাতে কিছুই বোঝা না যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা সেগুলো উদ্ধার করি। সবগুলো তেল ফ্রেশ ব্র্যান্ডের। এসব তেল মজুদ করা হয়েছে সম্প্রতি সরকারিভাবে নতুন দর নির্ধারণের আগে। তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তেলগুলো আগের দামে বিক্রির জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’